খাতুনগঞ্জের সকাল। সড়কের একপাশ অনেকটাই ফাঁকা। অন্যপাশেও নেই বড় কোনো যানবাহন। ছোট ছোট যানবাহনে চলছে পণ্য ওঠা নামার কাজ। তাও খুবই সীমিত। মাঝে মাঝে বড় পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ঢুকছে। এই বাজারের এমন চিত্র অনেকটা অস্বাভাবিক।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। যদিও পেঁয়াজ এখনও বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯৫ টাকায়। কিছুদিন আগে যা ছিল ৯০ থেকে ১০৫ টাকা। দাম কমিয়েও ক্রেতা পাচ্ছেন না আড়তদাররা। বলছেন বেচাবিক্রি নেমেছে অর্ধেকে। বাজারে এখন রয়েছে কেবল ভারতীয় পেঁয়াজ।
কমেছে আদার দামও। কিছুদিন আগে আদা ছিল ১৮০ থেকে ১৯৫ টাকা। এখন সেটি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। তাও ক্রেতা নেই। অবরোধে দাম কমবে না কি বাড়বে সে শঙ্কায় খুচরা বিক্রেতারা কিনছেন না পণ্য। এ কারণে দাম কমার প্রভাব নেই আদার বাজারেও।
আবার রসুনে গেল কয়েক মাস আগেও লোকসান গুনেছেন পাইকার ও আমদানিকারকরা। ১৫০ টাকায় আমদানি করে বিক্রি করতে হয়েছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। এখন আর লোকসান দেয়া সম্ভব না বলছেন ব্যবসায়ীরা। পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি দরে।
খাতুনগঞ্জে প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ পণ্যবাহী যান প্রবেশ করলেও এখন দিনে ৮০ থেকে ১০০ ট্রাক প্রবেশ করছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।





