১. আগে থেকেই পরিকল্পনা করুন (Plan ahead)
শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো এড়াতে যাত্রার দিন-তারিখ আগেই চূড়ান্ত করুন। ট্রেনের অনলাইন টিকিট (Online ticket) বা বাসের অগ্রিম টিকিট আগেভাগে সংগ্রহ করুন। যানজট এড়াতে বিকল্প রুট (Alternative route) সম্পর্কে ধারণা রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
আরও পড়ুন:
২. নির্ভরযোগ্য পরিবহন নির্বাচন (Choose reliable transport)
যে যানবাহনেই ভ্রমণ করুন না কেন, সেটি যেন অনুমোদিত এবং নিরাপদ হয়। অতিরিক্ত যাত্রী (Overloaded passengers) বহনকারী বাস বা ট্রাক এবং ফিটনেসবিহীন লঞ্চ বা নৌকা এড়িয়ে চলুন। পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য কোম্পানির বাস বা ট্রেন বেছে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
৩. ভিড় ও অজ্ঞান পার্টি থেকে সাবধান (Caution against crowds and drugging gangs)
ঈদযাত্রায় বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন বা লঞ্চঘাটে প্রচণ্ড ভিড় থাকে। এ সময় নিজের মোবাইল (Mobile) ও মানিব্যাগ (Wallet) সাবধানে রাখুন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—যাত্রাপথে অপরিচিত কারো দেওয়া খাবার, পানি বা কোমল পানীয় গ্রহণ করবেন না। এতে অজ্ঞান পার্টি (Drugging gangs) বা মলম পার্টির খপ্পরে পড়ার ঝুঁকি থাকে।
৪. শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি যত্ন (Extra care for children and elderly)
পরিবারের শিশু ও বয়স্ক সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। ভিড়ের মধ্যে শিশুদের হাত ছাড়া করবেন না। জরুরি প্রয়োজনে তাদের পকেটে বা ব্যাগে অভিভাবকের ফোন নম্বর (Phone number) লিখে রাখা একটি ভালো উপায়।
আরও পড়ুন:
৫. চলন্ত যানবাহনে ওঠা-নামা নিষিদ্ধ (Do not board/disembark moving vehicles)
চলন্ত বাস বা ট্রেনে ওঠা-নামা করা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এছাড়া ট্রেনের ছাদে (Train roof) বা বাসের দরজায় ঝুলে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখবেন, সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি।
৬. জরুরি প্রস্তুতি ও পাওয়ার ব্যাংক (Emergency preparation and Power bank)
দীর্ঘ যানজটে মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই সাথে একটি পাওয়ার ব্যাংক (Power bank) রাখুন। এছাড়া মোবাইলে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ (National Emergency Service 999) এবং হাইওয়ে পুলিশের নম্বর সেভ করে রাখুন।
আরও পড়ুন:
নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রার পূর্ণাঙ্গ চেকলিস্ট (Safe Eid Journey Checklist)
বিষয় (Topic) সতর্কতামূলক পদক্ষেপ (Precautionary Steps) উদ্দেশ্য (Purpose) ১. পরিকল্পনা (Planning) আগেভাগে টিকিট সংগ্রহ, যাত্রার রুট এবং বিকল্প রাস্তা সম্পর্কে ধারণা রাখা। শেষ মুহূর্তের ভোগান্তি ও তাড়াহুড়ো এড়ানো। ২. পরিবহন (Transport) পরিচিত ও নির্ভরযোগ্য যানবাহন বেছে নেওয়া। অতিরিক্ত যাত্রী বা ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ি এড়িয়ে চলা। যান্ত্রিক ত্রুটি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো। ৩. ব্যক্তিগত নিরাপত্তা (Personal Safety) মোবাইল, মানিব্যাগ ও ব্যাগ নিজ দায়িত্বে সাবধানে রাখা। ভিড়ে সতর্ক থাকা। চুরি বা ছিনতাই রোধ করা। ৪. খাদ্য ও পানীয় (Food & Drink) অপরিচিত কারো দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকা। অজ্ঞান পার্টি বা মলম পার্টির হাত থেকে রক্ষা। ৫. শিশু ও বয়স্ক (Children & Elderly) পরিচয়পত্র বা ফোন নম্বর সাথে রাখা এবং তাঁদের সবসময় নজরে রাখা। ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া বা নিখোঁজ হওয়া রোধ। ৬. যাত্রার নিয়ম (Travel Rules) চলন্ত গাড়িতে ওঠানামা না করা এবং ট্রেনের ছাদ বা বাসের দরজায় না দাঁড়ানো। প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা থেকে বাঁচা। ৭. টেক ও যোগাযোগ (Tech & Contact) পাওয়ার ব্যাংক সঙ্গে রাখা এবং জরুরি নম্বর (যেমন: ৯৯৯) সেভ রাখা। যেকোনো বিপদে সাহায্য দ্রুত নিশ্চিত করা।




