২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। অজ্ঞাতনামা হ্যাকাররা সুইফট পেমেন্ট পদ্ধতিতে ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে এ বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়।
ঘটনার ৩৯ দিন পর রাজধানীর মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। শুরু থেকেই মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডি। গত ১ এপ্রিল খসড়া অভিযোগপত্র প্রস্তুত করে আইনি পরামর্শের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে হস্তান্তর করে সিআইডি।
খসড়া অভিযোগপত্রে দেশি-বিদেশি মোট ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। এর মধ্যে ফিলিপাইনের ৩৬, উত্তর কোরিয়ার ২, চীনের ৩, শ্রীলঙ্কার ৮, জাপানের ১, ভারতের ৪ এবং বাংলাদেশের ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ করা হয়েছে। এর আইনি ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। চুরি হওয়া অর্থের ৩৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার দেশে ফিরে আনাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এরইমধ্যে নেয়া হয়েছে।





