ইরান ছাড়াও লেবাননে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। ২ মার্চ থেকে ইসরাইলি হামলায় এরই মধ্যে লেবাননে ১১০০ মানুষ নিহত হয়েছে। এরই মধ্যে ৩০ জনের বেশি হিজবুল্লাহ সেনাকে হত্যার দাবি করছে আইডিএফ।
ভয়াবহ বিমান হামলা ছাড়াও আগ্রাসন জোরালো করতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে স্থল হামলার জন্য আরও সেনা পাঠাচ্ছে ইসরাইল। ফলে তেল আবিবের দিকে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহও। এ অবস্থায় হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি মোকাবিলার দোহাই দিয়ে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে বড় ধরনের বাফার জোন তৈরির পথে এগোচ্ছে ইসরাইল।
বাফার জোন তৈরির অংশ হিসেবে, লেবানন-ইসরাইল সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে লিতানি নদীর ওপরে থাকা সব সেতু ধ্বংসের দাবি করছে ইসরাইলি বাহিনী। এমনকি দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বসতি খালি করতে বাধ্য করছে আইডিএফ। এতে এখন পর্যন্ত লেবাননের ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
আরও পড়ুন:
এদিকে ইরান ও লেবানন ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধরত অবস্থায় রয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এ অবস্থায় সেনা সংকট ধুঁকছে আইডিএফ। এমন পরিস্থিতি ইসরাইলি সেনাবাহিনী ভেঙে পড়ার দ্বারপ্রান্তে বলে সতর্ক করেছেন খোদ ইসরাইলি সেনাপ্রধান ইয়াল জামির।
নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এ সতর্কবার্তা দেন আইডিএফের চিফ অব স্টাফ। ইসরাইলি চ্যানেল থার্টিন-এর বরাত দিয়ে টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এমন শঙ্কা থেকে মন্ত্রীদের উদ্দেশে ১০টি সতর্ক সংকেতও তুলে ধরেছেন আইডিএফের চিফ অব স্টাফ। যেখানে নির্দিষ্ট আইন ও সেনা ঘাটতি মেটানো না গেলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার জন্য আইডিএফের প্রস্তুত থাকা কঠিন হয়ে পড়বে বলেও জানান তিনি।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় হামলা শুরুর পর থেকে বাহিনীতে ১২ হাজার সেনা ঘাটতি রয়েছে বলে আইনপ্রণেতাদের বহুবার জানিয়েছে আইডিএফ।
বর্তমানে, দেশটিতে ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সি প্রায় ৮০ হাজা অতিরক্ষণশীল ইহুদি যুবককে সামরিক সেবার জন্য যোগ্য বলে মনে করা হয়। তবে তাদের এখনো সেনাবাহিনীতে তালিকাভুক্ত করা হয়নি।





