৬৬ বছর পর ফ্রান্স সফরে থাইল্যান্ডের রাজা

থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ
থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ | ছবি: সংগৃহীত
0

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে এ মুহূর্তে রচিত হচ্ছে ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়। ৬৬ বছর পর ফ্রান্সের মাটিতে পা রেখেছেন থাইল্যান্ডের রাজা। সামরিক সম্মাননা, লাল গালিচা, এলিসি প্রাসাদের জাঁকজমক—সব মিলিয়ে এ সফর হয়ে উঠেছে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের এক মাইলফলক।

প্যারিসের ইনভালিদেস কমপ্লেক্সের চত্বরে উড়ছে ফ্রান্স ও থাইল্যান্ডের জাতীয় পতাকা। দেয়া হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা। পাশাপাশি বেজে ওঠে সামরিক বাদ্য। থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন, তার সঙ্গে রানি সুথিদা এবং রাজকুমারী সিরিবান্নাভারি নারিরাতানা। আর তাদের স্বাগত জানাতে এগিয়ে আসেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ এবং তার স্ত্রী ব্রিজিত।

একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ ঐতিহাসিক সংবর্ধনা। আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা শেষে থাই প্রতিনিধি দলকে বহনকারী কনভয় বেরিয়ে পড়ে ইনভালিদেস থেকে। এসময় দেখা যায় ঘোড়ার পিঠে সাজানো সৈন্যরা। এটি ফরাসি রাষ্ট্রীয় আতিথেয়তার এক বিশেষ অংশ যা শুধুমাত্র সর্বোচ্চ পর্যায়ের অতিথিদের দেয়া হয়।

এরপরের গন্তব্য—ফ্রান্সের রাষ্ট্রীয় প্রাসাদ এলিসি। দেয়া হয় লাল গালিচা সংবর্ধনা। রাজা, রানি, রাজকুমারী—সবাই পোজ দেন ফটোসেশনের জন্য।

এদিকে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, এ সফর ফ্রান্স ও থাইল্যান্ডের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ১৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত। এটি ১৯৬০ সালের পর ফ্রান্সে কোনো থাই রাজার প্রথম সফর বলে নিশ্চিত করেছে এলিসি প্রাসাদ।

অবশ্য ফ্রান্স-থাইল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে এ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। রাজপরিবারের এ সফর দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত বন্ধনকে নতুন মাত্রা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জেআর