আজ (শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৮ মিনিটে পোস্টে তিনি লিখেছেন, পাকিস্তান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য সরাসরি ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর মাধ্যমে সর্বাত্মক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে। এখন তোমাদের সঙ্গে আমাদের প্রকাশ্য যুদ্ধ।’
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি এক্সে লিখেছেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিক্রিয়া ব্যাপক ও চূড়ান্ত।’
কাবুলে আল–জাজিরার সংবাদদাতা নাসের শাদিদ জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় রাত ১টা ৫০ মিনিটে কাবুলে প্রথম বোমা ফেলেছে পাকিস্তানি বাহিনী। পরে পুনরায় হামলা চালানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:
পাকিস্তানের এই হামলার আগের দিন আফগান বাহিনী সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়, যার ফলে দুই পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন বলে ইসলামাবাদ জানিয়েছে। এরপর পাকিস্তান কাবুল ও কান্দাহারে পাল্টা হামলা চালায়।
এর আগে রোববার পাকিস্তানি বাহিনী আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশে হামলা চালায়। আফগানিস্তানে জাতিসংঘের মিশন জানিয়েছে, এতে ১৩ বেসামরিক নিহত হয়েছেন। ইসলামাবাদ ও কাবুল পৃথকভাবে হতাহতের সংখ্যা দাবি করেছে; ইসলামাবাদের তথ্য অনুযায়ী ৮০ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছেন, কাবুলের দাবি ১৮ জন।





