অ্যাসোসিয়েশন অব ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের জরিপে দেখা যায়, চতুর্থ ধাপের ২১ শতাংশ বা ৩৬০ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণসহ ফৌজদারি মামলা আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪০ জন প্রার্থী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি)। এরপরই আছে কংগ্রেসের ৩৫ জন, বাকিরা অন্য দলের। এছাড়া বিভিন্ন মামলায় দোষী সাব্যস্ত আছেন ১৭ প্রার্থী।
প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২৮ শতাংশ বা ৪৭৬ জন কোটিপতি প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বতন্ত্র দলের। বিত্তবান প্রার্থী তেলুগু দেশম পার্টির নেতা ড. চন্দ্রশেখর পেমমাসানি, যার সম্পদ ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি।
হলফনামায় দেখা গেছে, ২৪ প্রার্থীর কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। এমনকি একজনের হিসাবে দেখা গেছে তার কাছে আছে মাত্র ৭০ রুপি।
এদিকে কারাগার থেকে জামিন পেয়েই নির্বাচনী প্রচারে নামেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার করেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধীদের মনোবল বাড়াতে কেজরিওয়ালের মুক্তি সহায়তা করবে। আর বিজেপি বলছে, কেজরিওয়াল এখনও নির্দোষ প্রমাণিত হননি। তাকে আবার জেলে যেতে হবে।
দিল্লির রাজ্য সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেব বলেন, ‘আদালত কেজরিওয়ালকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছে। তিনি ১০০ কোটি রুপির মদ কেলেঙ্কারি মামলায় জড়িত ছিলেন। সত্যকে সবার সামনে তুলে ধরতে বাধা দিচ্ছে বিরোধীরা, নির্বাচনের বিষয়ে তার মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।
৫৪৩টি আসনের মধ্যে প্রথম তিন দফার ভোটে অর্ধেকের বেশি ২৮৩টি আসনে ভোট শেষ হয়েছে। পঞ্চম দফার ভোট হবে আগামী ২০ মে।



 founder Abhijeet Dipke-320x167.webp)
