মঙ্গলবার দেশটির মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৪১০ কোটি বাথ (স্থানীয় মুদ্রা) অর্থ বরাদ্দের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সরকারের মুখপাত্র একাপব পিয়ানপিসেস জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সারা দেশের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে এই ক্ষতিপূরণ বিতরণ করা হবে। বন্যায় দেশের ৭৬টি প্রদেশের মধ্যে ২৯টি এখনও প্লাবিত রয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবসায়িক খাতে অন্তত সাড়ে ছয় লাখ ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী বরাউত সিলপা-আর্চা।
রাজধানী ব্যাংককের সড়কগুলো থেকে পানি নামতে শুরু করলেও জনজীবনে স্থবিরতা কাটেনি। ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিটিপুন্ট জানান, প্রধান সড়কগুলো দুই থেকে সাত দিনের মধ্যে পুরোপুরি শুকিয়ে স্বাভাবিক হতে পারে। তবে বিমানবন্দরগুলোতে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল এবং কর্মী সংকটের কারণে হাজার হাজার যাত্রীর ব্যাগেজের জট লেগেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে থাই এয়ারওয়েজের প্রধান নির্বাহী চাপাই আইমসিরি যাত্রীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। জট ছুটাতে সামরিক বাহিনীর সদস্যদেরও বিমানবন্দরে মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে থাইল্যান্ডের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোতেও বন্যার তাণ্ডব চলছে। মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলীয় তানিনথারি উপকূলে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ভূমিধস ও বন্যায় অন্তত ১০ জন নিহত ও বহু মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। এছাড়া কম্বোডিয়ায় ১০টি প্রদেশ প্লাবিত হয়ে প্রায় ৪৫ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় চার হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।





