গ্রেপ্তারকৃত লাভলু মিয়া (৪৯) একই এলাকার মো. জয়তুল্লাহর ছেলে এবং একই মামলায় আরও দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার পাকুরিয়া ভাটিয়াপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলামকে সৌদি আরবে ভালো বেতনে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখান লাভলু মিয়া।
এজন্য সাইফুলের পরিবারের কাছ থেকে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন তিনি। পরে সাইফুলকে সৌদি আরবে পাঠানো হলেও প্রতিশ্রুত চাকরি ও বেতন নিয়ে দেখা দেয় নানা জটিলতা।
আরও পড়ুন:
এমন অবস্থায় সাইফুলের পরিবার তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে লাভলুর সঙ্গে যোগাযোগ করে। সে সুযোগ নিয়ে লাভলু মিয়া সাইফুলের পরিবারের কাছে আরও ১৬ লাখ টাকা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় সাইফুলকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা দেয় এবং তাকে সৌদি আরবে জিম্মি করে রাখে লাভলুর লোকজন।
পরবর্তীতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলামের স্ত্রী শাহিনা আক্তার বাদী হয়ে লাভলু মিয়াসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শেরপুর আদালতে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে গতকাল সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে লাভলু মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘মানবপাচার মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’





