এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশনের (এপেক) এ বছরের আয়োজক দেশ চীন। আগামী নভেম্বরে দেশটির শেনঝেন শহরে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে চীন প্রায় প্রতিদিনই দ্বীপটির চারপাশে সামরিক টহল চালিয়ে আসছে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তেকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ আখ্যা দিয়ে তাঁর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করে আসছে বেইজিং।
তাইওয়ানের শ্রম মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে পূর্বাঞ্চলীয় শহর নানজিংয়ে এপেকের মানবসম্পদবিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে আজ রবিবার চীন গেছেন মন্ত্রী হাং সান-হান। তিনি ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) সাবেক আইনপ্রণেতা এবং হংকং ও তিব্বতের মানবাধিকার ইস্যুতে সোচ্চার ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও অলিম্পিকের মতো আয়োজনে তাইওয়ান ‘চায়নিজ তাইপে’ নামে অংশ নিয়ে থাকে। তবে রাজনৈতিক জটিলতা এড়াতে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সরাসরি এপেকের মূল শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন না। তাঁর প্রতিনিধিত্ব করতে সাধারণত সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বা ব্যবসায়ী নেতাদের পাঠানো হয়। এর আগে বৈশ্বিক চিপ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টিএসএমসির প্রতিষ্ঠাতা মরিস চিয়াং তাইওয়ানের প্রতিনিধি হিসেবে এপেকের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। তবে আগামী নভেম্বরের শেনঝেন সম্মেলনে তাইওয়ানের কে প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা এখনো ঘোষণা করা হয়নি।





