হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নাঈম কাসেম এবং সংগঠনটির যোদ্ধাদের উদ্দেশে এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক বার্তায় মুজতবা খামেনি জানান, তেহরান লেবাননের হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের রক্ষা করাকে ‘কৌশলগত দায়িত্ব’ বলে মনে করে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শেষ করার যেকোনো চুক্তির শর্ত হিসেবে তিনি লেবাননের ওপর ইসরাইলি আগ্রাসন সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে বন্ধের আহ্বান জানান।
ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে হিজবুল্লাহর দেয়া চিঠির জবাবে খামেনি এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ ও প্রতিরোধ ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই’।
তিনি বলেন, ‘আজ যখন বিশ্বের জাতিগুলো যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও অপরাধী ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার ও নিপীড়নে ক্লান্ত, যারা মানুষের জীবন ও প্রজন্মের ধ্বংসকারী, তখন সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য জিহাদ ও প্রতিরোধ ছাড়া আর কোনো পথ অবশিষ্ট নেই।’
মুজতবা খামেনির দাবি, ইসরাইলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইরত গোষ্ঠীগুলোর অগ্রভাগে অবিচল পাথরের মতো দাঁড়িয়ে আছে হিজবুল্লাহ। তার মতে, তাদের এই দৃঢ়তা বিশ্বের স্বাধীনতাকামী জাতিগুলোর কাছে বৈশ্বিক ঔদ্ধত্য থেকে মুক্তির অনুপ্রেরণামূলক বার্তা হয়ে উঠেছে।
তার প্রয়াত পিতা ও ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নীতি অনুসরণ করে তিনি জানান, হিজবুল্লাহর প্রতিরক্ষা ইরানের ‘কৌশলগত দায়িত্ব’।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় নিহত হিজবুল্লাহর সাবেক মহাসচিব সাইয়েদ হাসান নাসরুল্লাহসহ অন্যান্য যোদ্ধার প্রতিও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মুজতবা খামেনি। তিনি মন্তব্য করেন, তাদের আত্মত্যাগ হিজবুল্লাহকে ‘চারা গাছ থেকে বিশাল বৃক্ষে’ পরিণত করেছে এবং ইসলামি বিশ্বজুড়ে লেবাননের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে।
বার্তার শেষে হিজবুল্লাহর যোদ্ধা, প্রবীণ সদস্য, বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিক এবং শহিদ পরিবারের জন্য প্রার্থনা করেন মুজতবা খামেনি এবং তাদের চূড়ান্ত সাফল্যের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।





