উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন পুরুষ, তিনজন নারী এবং সাত বছর বয়সী এক কন্যাশিশু রয়েছে। শনিবার সন্ধ্যার আগে সুলাওয়েসি উপকূলের মাতাল্লাং দ্বীপের কাছে একটি মাছ ধরার নৌকা তাদের দেখতে পায়। পরে তাদের উদ্ধারকারী জাহাজে সরিয়ে নেয়া হয়।
গত বুধবার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের জামপেয়া দ্বীপ থেকে বেনতেং বন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার পথে ৭৮ জন যাত্রী ও ক্রু নিয়ে ‘কেএম নুরুল সালসা’ নামের নৌকাটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে ডুবে যায়। এরপর থেকে সাগরে ভাসমান মাছ ধরার ফাঁদ ও ধ্বংসাবশেষ ধরে বেঁচে ছিলেন এই পাঁচজন।
স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ আনোয়ার বলেন, ‘নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পর তারা যে যা পেয়েছেন, তা দিয়েই নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন। তারা পানির জেরিকেন ও কর্কের টুকরো দড়ি দিয়ে বেঁধে ভেলা তৈরি করে তার ওপর চড়ে ভাসছিলেন।’
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানান, তারা ২৫ জনের একটি দলে ছিলেন। কিন্তু উত্তাল বাতাস ও ঢেউয়ের কারণে বাকিদের কাছ থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নৌকাডুবির পরের দিন ৪৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল এবং একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিখোঁজদের সন্ধানে বর্তমানে পাঁচটি বড় জাহাজ, একটি নজরদারি বিমান ও একটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। দক্ষিণ সুলাওয়েসির বন্দর থেকে প্রায় ৪৩ নটিক্যাল মাইল দূরে নৌকাটি ডুবে গিয়েছিল।
১৭ হাজারের বেশি দ্বীপের দেশ ইন্দোনেশিয়ায় নৌযান যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তবে দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে সেখানে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে। চলতি মাসের শুরুর দিকেই বালিতে ৬৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি ফেরি ডুবে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছিল।





