২০২৪ সালে শারার নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীরা বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ম্যাক্রোঁই ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান, যিনি সিরিয়া সফরে গেলেন। এই বিস্ফোরণ দেশটির নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলোকে সামনে এনেছে।
রয়টার্সের একজন প্রত্যক্ষদর্শী কাছাকাছি এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন। নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পর সড়কগুলো বন্ধ করে দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তবে এলিজে প্রাসাদ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের গাড়িবহর থেকে বিস্ফোরণের কোনো শব্দ শোনা যায়নি। ম্যাক্রোঁর সঙ্গে থাকা রয়টার্সের সাংবাদিকরাও সকালের কর্মসূচির সময় কোনো বিস্ফোরণের শব্দ শোনেননি বা কোনো হুলুস্থুল দেখেননি।
পরে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ম্যাক্রোঁ ও শারা বৈঠকে বসেছেন।
ম্যাক্রোঁর সফর শারার অধীনে সিরিয়ার ভূরাজনৈতিক রূপান্তরকেই ফুটিয়ে তুলেছে। আল-কায়েদার সাবেক এই কমান্ডার আসাদকে বর্জন করা পশ্চিমা ও মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। ১৩ বছরের যুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠনই তার লক্ষ্য। সিরীয় সংঘাতের সময় ইসলামিক স্টেটসহ (আইএস) নানা জঙ্গিগোষ্ঠী দেশটিতে ঘাঁটি গেড়েছিল।
সিরিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ সুন্নি মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্য শারা আসাদ পরিবারের পাঁচ দশকের কঠোর শাসনের অবসান ঘটিয়ে সবাইকে নিয়ে নতুন এক সিরিয়া গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। তবে এই প্রতিশ্রুতি সহিংসতার নতুন ঢেউয়ে পরীক্ষার মুখে পড়েছে। গত বছর সরকারপন্থি বাহিনী ও ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সহিংসতায় শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।





