ইরানপন্থি এই গোষ্ঠী হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ইয়েমেনের আকাশসীমা লঙ্ঘনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে তারা ‘সৌদি আরবের বিমানবন্দর এবং স্থল ও সমুদ্রপথের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়’ হামলা চালাবে। সারি আরও বলেন, ‘সম্ভাব্য যেকোনো পরিণতি’ উপেক্ষা করে সানা ও তেহরানের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত থাকবে।
হুতি নিয়ন্ত্রিত আল-মাসিরা টেলিভিশন জানিয়েছে, ৩ জুলাই একটি ইরানি বিমান সানায় পৌঁছায় এবং ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে হুতিদের একটি সরকারি প্রতিনিধিদলকে নিয়ে তেহরানে যায়। এ ছাড়া বিমানটিতে দুই শতাধিক রোগীও ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ইরানপন্থি হুতিরা রাজধানী সানার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ শুরু করে।
৪ জুলাই ভোরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বিবৃতিতে জানিয়েছে, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতিদের এসব বক্তব্য ইয়েমেনি জনগণের বিরুদ্ধে গোষ্ঠীটির ‘সহিংসতা’ থেকে জনগণের ‘মনোযোগ সরানোর’ চেষ্টা। জোটটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, রাজ্যটিকে লক্ষ্যবস্তু করার যেকোনো চেষ্টা বা ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করা হলে ‘নজিরবিহীন শক্তি’ প্রয়োগ করে কঠোর জবাব দেয়া হবে।





