‘অপরাধীদের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে’; যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে মামলার ডাক খামেনির

মুজতবা খামেনি
মুজতবা খামেনি | ছবি: সংগৃহীত
0

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাব ও ল্যামের্ডে শিশু হত্যা এবং যুদ্ধাপরাধের বিচার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি। দেশটির ‘বিচার বিভাগীয় সপ্তাহ’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এই বিচারিক কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাত দিয়ে দ্য ডনের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন বলা হয়, মুজতবা খামেনি বলেছেন যে, বর্তমানে ইরানের সবচেয়ে বড় আইনি চ্যালেঞ্জ হলো ‘আন্তর্জাতিক অপরাধী এবং বৈশ্বিক আগ্রাসনকারীদের’ হাতে লঙ্ঘিত অধিকারগুলো পুনরুদ্ধার করা। তিনি বলেন, ‘২০২৫ সালের জুন এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কর্তৃক ইরানের ওপর চাপিয়ে দেয়া দুটি আগ্রাসি যুদ্ধে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের রক্ত এবং এর ফলে সৃষ্ট শারীরিক, মানসিক ও বৈষয়িক ক্ষয়ক্ষতি হাজার হাজার আইনি মামলার ভিত্তি তৈরি করেছে।’ তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, ‘অপরাধীদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে এবং তাদের কর্মকাণ্ডের পরিণাম ভোগ করতে হবে।’

এদিকে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ইরানের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি আর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না এবং অন্যদের ইরানের নির্দেশনা মেনে নেয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই।’

রেজায়ি মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সাম্প্রতিক পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ইরানের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার কাজ চূড়ান্ত। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নির্দেশনার কাছে অন্য সব পক্ষ নতি স্বীকার করতে বাধ্য হবে।

এএম