তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে হওয়া বৃহত্তর সমঝোতা স্মারকের একটি তাৎক্ষণিক ফলাফল হিসেবে এই অর্থ ফেরত পাওয়া যাচ্ছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী গালিবাফ বলেন, ‘কাতারে প্রাথমিক আলোচনার পর সুইজারল্যান্ডে এই চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সই হয়েছে। অবমুক্ত হতে যাওয়া ১২ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে দুটি আলাদা অংশ রয়েছে, যার প্রতিটিতে ৬ বিলিয়ন ডলার করে রয়েছে।’ দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞার কারণে এই বিশাল অর্থ আটকে ছিল। এই অর্থ ফেরত পাওয়াকে তেহরানের জন্য একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখছেন গালিবাফ।
গতকাল (সোমবার, ২২ জুন) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে গালিবাফ বলেন, ‘জব্দ করা ১২ বিলিয়ন ডলার অবমুক্ত করার বিষয়ে সুইজারল্যান্ডে চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে।’ এই চুক্তির আওতায় একটি চূড়ান্ত সমাধানে না পৌঁছানো পর্যন্ত ইরানের অপরিশোধিত তেল, পেট্রোকেমিক্যাল এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্যের ওপর থেকেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকিং, বিমা এবং পরিবহন খাতের ওপর থেকেও সাময়িকভাবে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এই চুক্তির ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত হেনরি এনশার আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, জাহাজ চলাচলের গতিপ্রকৃতি দেখে মনে হচ্ছে চুক্তির বাস্তবায়ন এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচল করা মানেই হলো অর্থ লেনদেন শুরু হয়েছে এবং উভয় পক্ষই তাদের কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাচ্ছে।’
এনশার আরও মন্তব্য করেন যে, ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয়ই তাদের নিজ নিজ রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক লক্ষ্যগুলো পূরণের চেষ্টা করছে। তবে মাঠপর্যায়ে কাজের অগ্রগতি এবং অর্থের লেনদেনই চুক্তির প্রকৃত বাস্তবায়নের প্রমাণ দেবে।





