মন্ত্রণালয়ের সংবাদ মাধ্যম শানা’র বরাত দিয়ে পাকনেজাদ বলেন, ‘যদি একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হয়, তবে পশ্চিমা দেশগুলো চুক্তির মর্মার্থের প্রতি কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে—তা এই খাতের মাধ্যমেই প্রমাণিত হবে।’ তিনি মনে করেন, চুক্তি-পরবর্তী পরিবেশে ইরানের তেল শিল্প বিশ্ব অর্থনীতির জন্য উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে পারে।
মোহসেন পাকনেজাদ আরও বলেন, ‘ইরানের কাছে শত শত বিনিয়োগ প্রকল্প এবং কারিগরি ও অপারেশনাল অংশীদারত্বের চুক্তি সই করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।’ কূটনৈতিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে জ্বালানি খাত দুই দেশের সহযোগিতার একটি প্রধান ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।





