নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘তিনি আমাদের ইতালির বিমানঘাঁটি বা রানওয়ে ব্যবহার করতে দেননি, যা ছিল লজিস্টিক্যালি বড় ধরনের অসুবিধা।’ ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ন্যাটোর ভূমিকা নিয়ে আগের অসন্তোষ আবারও প্রকাশ করেছেন তিনি।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ওয়াশিংটন তথাকথিত মিত্রদের নিরাপত্তার পেছনে ‘শত শত বিলিয়ন ডলার’ ব্যয় করা সত্ত্বেও ইতালি যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায়নি। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য এবং সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে মেলোনি বারবার তার সঙ্গে ছবি তোলার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ ট্রাম্পের। তিনি বলেন, ‘না, ধন্যবাদ’, এই বলে তিনি ছবি তোলায় অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য জর্জিয়া মেলোনি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, এসব অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ বানানো’। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় মেলোনি বলেন, ‘আমি সত্যিই বিস্মিত।’ দুই নেতার মধ্যে ক্রমবর্ধমান এই উত্তেজনার জেরে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাইয়ানি যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের মন্তব্যকে ‘গুরুতর ও আপত্তিকর’ বলে অভিহিত করেছেন।





