আটকে থাকা তহবিল প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছি এবং সেই অর্থ আমাদের কাছে রয়েছে। ওটা আমাদের টাকা নয়, ওটা তাদেরই টাকা। আমরা একটি নির্দিষ্ট সময়ে তা জব্দ করেছিলাম। আমার মনে হয় আমাদের তা ফেরত দিতেই হবে। কারণ, আমরা যদি তা ফেরত না দিই, তবে ভবিষ্যতে কেউ আর ডলারে বিনিয়োগ করবে না।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সই হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী, ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে মিলে অন্তত ৩০০ বিলিয়ন (৩০ হাজার কোটি) ডলারের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ওয়াশিংটন। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সরাসরি কোনো টাকা দিচ্ছি না। যদি তারা সবকিছু ঠিকঠাকমতো করে এবং মানুষ বিনিয়োগ করতে চায়, তবে তারা বিনিয়োগ করতে পারে। এই ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিলটি তখনই কার্যকর হবে, যদি তারা সঠিক পথে চলে।’
ইরানের ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যখন আপনারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের কথা বলেন, তখন মনে রাখবেন তাদের ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতি হয়েছে।’ নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ইরান যখনই ‘সঠিক আচরণ’ শুরু করবে, তখনই কিছু একটা ঘটবে।
প্রকাশিত ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী ইরানের ওপর থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, আইএইএ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের একতরফা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।





