রাশিয়া ও আসিয়ান সম্পর্কের ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই সম্মেলনে ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, পূর্ব তিমুর এবং ভিয়েতনামের নেতারা অংশ নেন। পুতিন বলেন, ‘এই কৌশলগত অংশীদারত্ব ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি অপরিহার্য স্থিতিশীলতার নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে।’ এটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা তৈরিতে অবদান রাখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের সনদের ওপর ভিত্তি করে একটি ‘ন্যায়সংগত বহুমুখী বিশ্ব’ গড়ার আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা জানান, কাজান সম্মেলন রাশিয়া-আসিয়ান সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অংশীদারত্বকে এগিয়ে নিতে শীর্ষ পর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন নেতারা।
নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ ও হুমকি মোকাবিলা ছাড়াও বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, কৃষি, ডিজিটালাইজেশন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের সঙ্গে যৌথভাবে এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন পুতিন। ফিলিপাইন বর্তমানে আসিয়ানের আবর্তনশীল সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে।
আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ফিলিপাইনের মতো কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত হলেও রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে তাদের বড় ধরনের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সম্পর্ক রয়েছে। ইরান যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে অথবা কেনার আগ্রহ দেখিয়েছে।





