জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা সবাই একমত হয়েছি যে রাশিয়া জিতছে না এবং তারা প্রচুর সেনা হারাচ্ছে। তাদের দ্রুত একটি চুক্তিতে আসতে হবে কারণ যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ এখন আর তাদের হাতে নেই।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রাখবে। পুতিনকে শান্তি চুক্তিতে রাজি করাতে আরও জোরালো রাজনৈতিক চাপ প্রয়োজন বলে জেলেনস্কি মনে করেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্প এটি করতে পারেন, হয়তো কেবল তিনিই এটি করার সক্ষমতা রাখেন।’
জেলেনস্কির মতে, ক্রেমলিনের ভেতর থেকে পুতিনকে আরও বড় আকারের সৈন্য সমাবেশের জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে, যা সাধারণ রুশ নাগরিকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়াচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, শীত আসার আগে কোনো শান্তি চুক্তি না হলে রাশিয়ার জন্য সামনের দিনগুলো অত্যন্ত কঠিন হবে। বিশেষ করে ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা জোরদার করায় মস্কো নজিরবিহীন সংকটে পড়বে।
কিয়েভের একটি ঐতিহাসিক মঠে রুশ ড্রোন হামলার একদিন পর জেলেনস্কি জানান, জি-৭ নেতারা এখন একমত যে রাশিয়া উদ্দেশ্যমূলকভাবে বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এখন সবাই বুঝতে পারছে যে পুতিন আসলে এই যুদ্ধ থামাতে চান না।’ জেলেনস্কি আরও জানান, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধে ট্রাম্প ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। সম্মেলনে ট্রাম্পের সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে।





