ক্যামেরুনের পতাকাবাহী ‘স্মিরটোস’ নামের এই জাহাজটিতে আজ (রোববার, ১৪ জুন) ভোরের দিকে রয়্যাল মেরিন কমান্ডো এবং ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির কর্মকর্তারা আরোহণ করেন। এই অভিযানে চিনুক হেলিকপ্টারসহ অন্যান্য বিমান, একটি ফ্রিগেট এবং একটি মাইনহান্টার জাহাজ অংশ নেয়। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে বলেন, ‘এই সফল অভিযান রাশিয়ার জন্য আরও একটি বড় ধাক্কা। যারা ইউক্রেনে পুতিনের যুদ্ধে ইন্ধন দিচ্ছে, তাদের আমরা মনে করিয়ে দিতে চাই যে তারা লুকিয়ে থাকতে পারবে না।’
সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তদন্ত চলাকালীন ট্যাঙ্কারটিকে ইংল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলে আটকে রাখা হবে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে। ফরাসি বাহিনীর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গত মার্চ মাসেই স্টারমার ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা রুশ জাহাজগুলো জব্দ ও আটকের অনুমতি দিয়েছিলেন। পশ্চিমাবিশ্বের দাবি, রাশিয়ার এসব জাহাজ আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেল রপ্তানিতে সহায়তা করে।
যদিও রয়টার্সের এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, স্টারমারের এই ঘোষণার পর ব্রিটিশ জলসীমা দিয়ে যাতায়াতকারী রুশ জাহাজের সংখ্যায় খুব একটা পরিবর্তন আসেনি। তবে রোববারের এই অভিযানের আগে পর্যন্ত এ ধরনের পদক্ষেপে ব্রিটেনের ভূমিকা ছিল কেবল ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে সহায়তা করার মধ্যে সীমাবদ্ধ। এবারই প্রথম ব্রিটেন এককভাবে এ ধরনের বড় অভিযানে নেতৃত্ব দিলো।





