ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৪৬

ভূমিকম্পের পরের দিন ফাটল ধরা একটি রাস্তার পাশে নিজেদের বাড়ির সামনে বসে আছেন কিছু মানুষ
ভূমিকম্পের পরের দিন ফাটল ধরা একটি রাস্তার পাশে নিজেদের বাড়ির সামনে বসে আছেন কিছু মানুষ | ছবি: সংগৃহীত
0

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আজ (বুধবার, ১০ জুন) ধসে পড়া একটি সুপারমার্কেটের ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। বার্তা সংস্থা এফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া যায়।

গত সোমবার মিন্দানাও উপকূলের কাছে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার এই ভয়াবহ কম্পন অনুভূত হয়। এর ফলে বহু ভবন ধসে পড়ে এবং ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলীয় ওই দ্বীপজুড়ে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়। বুধবার জেনারেলে সান্তোস সিটির একটি বিধ্বস্ত সুপারমার্কেটের ভেতর থেকে ৩৯ বছর বয়সি জোয়ি দেলুভিও নামের এক কর্মচারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার তৎপরতার সময় এই সুপারমার্কেটটিই ছিল মূল কেন্দ্রবিন্দু।

উদ্ধারকর্মী মিশেল চুয়া এএফপি-কে জানান, উদ্ধার অভিযানের শুরুর দিকে লাইফ ডিটেক্টিং সরঞ্জামের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নিচে এক ব্যক্তির ‘দুর্বল হৃদস্পন্দন’ শনাক্ত করা হয়েছিল। তবে বুধবার দেলুভিওর কাছে পৌঁছানোর পর দেখা যায় তার দেহে প্রাণের কোনো চিহ্ন নেই। দুটি বিমের মাঝখানে দেলুভিওর নিথর দেহটি আটকে ছিল বলে চুয়া জানান।

জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা বুধবার নিহতের সংখ্যা ৪৫ বলে জানিয়েছিল, তবে সিভিল ডিফেন্স অফিস নিশ্চিত করেছে যে এই তালিকায় দেলুভিওর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর ফলে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৬ জনে। এছাড়া নিখোঁজ ব্যক্তির সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়ে ৪ থেকে ১৭ জনে পৌঁছেছে।

সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তা রাফায়েলিটো আলেজান্দ্রো এক রেডিও সাক্ষাৎকারে জানান, নতুন করে প্রাণহানির অধিকাংশ ঘটনাই ঘটেছে দাভাও ওক্সাইডেন্টাল প্রদেশে। নিহতদের অধিকাংশই ভূমিধস বা ভবন ধসে মারা গেছেন। ওই এলাকায় এখনো পরাঘাত বা আফটারশকের ঝুঁকি থাকায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

এএম