র্যাব-১১ জানায়, রাসেল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানী, কোরবানপুর ও শান্তিনগর এলাকায় একটি প্রভাবশালী ও সহিংস সন্ত্রাসী বাহিনী পরিচালনা করে আসছিল। নতুন গড়ে ওঠা শিল্পকারখানা, ড্রেজিং ও আবাসন প্রকল্পে আধিপত্য বিস্তার করে ইট, বালু সরবরাহ, স্ক্র্যাপ (ঝুট) ব্যবসা ও নির্মাণকাজের নিয়ন্ত্রণ নিতে স্থানীয় ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে রাসেলের বাহিনী প্রকাশ্যে দেশিয় আগ্নেয়াস্ত্র, রামদা, টেঁটা ও হকিস্টিক নিয়ে মহড়া দিত।
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ওপর প্রকাশ্যে গুলি চালানো, টেঁটাবিদ্ধ করে আহত করা, বাড়িঘরে হামলা চালানো এবং মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় সাংবাদিকদের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগও রয়েছে এ বাহিনীর বিরুদ্ধে।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাসেল ও তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।
এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) গভীর রাতে র্যাব-১১ ও র্যাব-২ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানার পান্থপথ এলাকা থেকে রাসেল আহমেদকে গ্রেপ্তার করে।
পরে গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায় সোনারগাঁওয়ের কোরবানপুর এলাকায় তার বসতবাড়ির পাশে একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে একটি দেশিয় শটগান, চার রাউন্ড গুলি এবং ১৪টি টেঁটা উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও ও ঢাকার বিভিন্ন থানায় অন্তত ১২টি মামলা রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সোনারগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।





