তিনি বলেন, ‘এখন কিন্তু সাধারণ মানুষ আমাদেরকে প্রশ্ন করে না, অপেক্ষা করছে। এখন তারা সহযোগিতা করছেন, কাজটা শুরু করতে। কিন্তু সময় যেতে বেশিক্ষণ লাগে না।’
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই আশা করেছিলাম, যে সরকারই থাকুক, আমাদের দাবির প্রতি সবাই সম্মান দেবে। নির্বাচনের এক মাসের মাথায় প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে কাজ শুরু করেছি। অনেকেই বলতে পারেন, এটি দীর্ঘদিনের প্ল্যান ছিল। প্ল্যানতো অনেক কিছুই থাকে, স্বপ্ন অনেক কিছুই থাকে। কিন্তু বাস্তবায়নটা কোথায় আটকে আছে, সেটাকে ঠিক করে সেই কাজটাকে দৃশ্যমান করে নিয়ে আসাটাই আসল ব্যাপার। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরবাসীর প্রতি আন্তরিকতা দেখিয়েছেন।’
এছাড়া, বিকেলে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। চরচামিতা এলাকায় ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
এসময় বিশেষ হিসেবে উপস্থিত অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ইউছুফ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, জেলা জজ আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট আবদুল আহাদ শাকিল, কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ সামছুল আলম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, টুমচর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ হারুন আল মাদানি ও রামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর হুমায়ুন কবির প্রমুখ। —বাসস





