আর এ উদ্দেশ্যেই ওয়াশিংটন সম্প্রতি একটি কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু করেছে, যার আওতায় কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম লেবানন ও ইসরায়েল সরকার সরাসরি আলোচনায় বসেছে। তবে এ আলোচনা থেকে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি আসেনি; খোদ হিজবুল্লাহও এ আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, আঞ্চলিক এ সংকট সমাধানের যেকোনো চুক্তিতে সব কটি ফ্রন্ট বা যুদ্ধক্ষেত্রে একযোগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে। এর মাধ্যমে ইরান মূলত একটি নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চাইছে, আর তা হলো, ‘তোমরা বৈরুতে আঘাত করলে, আমরা সরাসরি ইসরায়েলে আঘাত করবো।’
উদ্ভূত এই পরিস্থিতি লেবানন সরকারের জন্য এক চরম জটিলতা তৈরি করেছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে অঞ্চলে শান্তি ফেরানোর জন্য একটি কার্যকর পথ খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।





