ঈদুল আজহা ঘিরে নানা প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া। কোরবানি ঈদ ছাড়াও অন্য সময়ে স্থানীয় চাহিদার জোগান দিতে দেশটি অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণ গরুর মাংস ও গবাদিপশু আমদানি করে। খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি গরুর মাংসের দাম ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ইন্দোনেশিয়ান রুপি।
কোরবানি ঈদের সময় পশু জবাইয়ে গরু ও ছাগলের চাহিদা বাড়ে অনেক গুণ। তবে বাড়তি দাম ও লালনপালনের ব্যয় মেটাতে না পারায় বেশিরভাগ সময় ক্ষতির মুখে পড়তে হয় খামারিদের। এমন অবস্থায় এবার দেশটির পূর্ব জাভা অঞ্চলে শুরু হয়েছে উট পালনের নতুন উদ্যোগ।
খামারিরা বলছেন, দামের চাপ ও বাজার প্রতিযোগিতার কারণে গরু-ছাগলের বিকল্প হিসেবে উট লালনপালন শুরু করেছেন। কোরবানির পশু হিসেবে উট ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইন্দোনেশিয়ায়। তবে ধর্মীয় ও বয়স সংক্রান্ত নিয়মের কারণে এখনো বড় বাধা রয়ে গেছে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়দের একজন বলেন, ‘ঈদে গরু ও ছাগলের বিকল্প হিসেবে উট পালনের চেষ্টা করছি। আগে কেবল কিছু নির্দিষ্ট মানুষের মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ ছিল। এখন অনেকেই উট পালনে এগিয়ে আসছে।’
কোরবানি ঈদ ঘিরে উটের খামারে বেড়েছে বিনিয়োগ। গরু-ছাগলের চেয়ে লাভ বেশি হওয়ায় উট পালনের দিকেই ঝুঁকছেন খামারিরা।
যদিও ইন্দোনেশিয়ায় পশুর হাটে গরু, ছাগল ও ভেড়ার আধিক্য অনেক। সেখানে কোরবানি হিসেবে উট দেয়া অনেকটাই নতুন ধারণা। যা ইন্দোনেশিয়ার পশুপালন শিল্পের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।




