চলতি সপ্তাহে গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ইবোলা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় আতংকে আছেন সেখানকার বাসিন্দারা। আর এর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মাস্ক পড়ছেন তারা। কিন্তু মরণব্যধি ইবোলা হাত থেকে পুরোপুরি রেহাই মিলছে না। প্রতিদিনই কেউ না কেউ সংক্রমিত হচ্ছেন এবং মারা যাচ্ছেন এ ভাইরাসে।
কয়েকজন স্থানীয়রা বলেন, আমার ভয় হয়, আমি হয়তো রোগটা বাড়িতে আমার পরিবারের কাছে ছড়িয়ে দিতে পারি। কারণ আমি সারাদিন যাত্রী আনা-নেয়া করি। আমার মরতে ভয় পাই আর এটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত করে। আমি ইবোলা থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য একটি ফেস মাস্ক পরি । এটি দক্ষিণ কিভুতে না পৌঁছালেও নিজেদের রক্ষা করার প্রস্তুতি নেয়াই শ্রেয়
তবে সাম্প্রতিক ইবোলার প্রাদুর্ভাব ও ক্রমবর্ধমান সংক্রমণে গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। সংকট রয়েছে পর্যাপ্ত ওষুধপত্র, সুরক্ষা সরঞ্জাম, এমনকি কর্মীর।
আরও পড়ুন:
কঙ্গোর স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেন, যদিও আমরা ক্রমাগত রোগী পাচ্ছি, তাদের ভর্তি ও হাসপাতালে রাখার মতো পর্যাপ্ত জায়গা আমাদের নেই। এরিমধ্যে আমরা এখানেই একটি তাঁবু খাটিয়েছি তবে ভবিষ্যতে রোগীদের আলাদা রাখার জন্য হয়তো আমাদের আরও একটির প্রয়োজন হবে
অবশ্য ইবোলা প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে কঙ্গোতে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ইবোলা মোকাবিলা কার্যক্রম জোরদার হওয়ায় কঙ্গোর বুনিয়ায় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছেছে আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি। এদিকে এ ভাইরাসের ব্যাপ্তি ও গতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ডব্লিউএইচও প্রধান।
এদিকে ডব্লিউএইচওর ডিআর কঙ্গোর প্রতিনিধি ডা. অ্যান আনসিয়া বিবিসিকে জানিয়েছেন, তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই স্পষ্ট হচ্ছে যে ভাইরাসটি সীমান্ত পেরিয়ে আরও বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।
ধারণা হচ্ছে, গত ২৪ এপ্রিল প্রথম শনাক্ত হওয়ার আগেই ছড়িয়ে পড়ছিল ভাইরাসটি। বর্তমানে এই প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী ইবোলা ভাইরাসের ধরনটির বিরুদ্ধে কোনো অনুমোদিত টিকা নেই। তবে ডব্লিউএইচও অন্যান্য ওষুধ কার্যকর হতে পারে কি না তা পরীক্ষা করে দেখছে।





