কর্মকর্তারা জানান, গত শুক্রবার ওরিইরে জেলার আহোরো এসিনেল সম্প্রদায়ের একটি মাধ্যমিক ও দুটি প্রাথমিক স্কুলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব নাইজেরিয়ার ওইয়ো অঙ্গরাজ্য শাখার চেয়ারম্যান এলিশা অলুকায়োদে ওগুন্দিয়া বলেন, ‘হামলায় মোট ৪৬ জনকে অপহরণ করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু।
পুলিশ এই ঘটনাকে একটি ‘‘সমন্বিত হামলা’’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।’ সশস্ত্র ব্যক্তিরা একই সঙ্গে ইয়াওতা এলাকার ব্যাপটিস্ট নার্সারি অ্যান্ড প্রাইমারি স্কুল এবং এসিলে এলাকার অন্য দুটি স্কুলে হানা দিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে যায়।
নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবু এই হামলাকে ‘বর্বর’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ফেডারেল সরকার ওইয়ো অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে অপহৃতদের উদ্ধারে কাজ করছে। আমরা আশা করছি খুব দ্রুতই বড় কোনো অগ্রগতি হবে।’
এদিকে ওইয়ো অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ওলুসেই আবিওদুন মাকিন্দে একটি ভিডিওর বরাত দিয়ে জানান, অপহৃত একজন শিক্ষককে গত রোববার হত্যা করা হয়েছে। অপহরণে তথ্য ও সরঞ্জাম সরবরাহকারী সন্দেহে ইতিমধ্যে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গভর্নর আরও জানান, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের সমন্বয়ে একটি উদ্ধার অভিযান শুরু হলেও বন্দুকধারীদের পুঁতে রাখা আইইডির (হাতে তৈরি শক্তিশালী বোমা) কারণে তা ব্যাহত হচ্ছে। বোমার বিস্ফোরণে উদ্ধারকারী দলের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাইজেরিয়ায় মুক্তিপণের জন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অপহরণ এক বড় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপরাধী চক্রগুলো দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার সুযোগ নিয়ে নিয়মিতই যাত্রী, শিক্ষার্থী ও গ্রামীণ জনপদগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে। তবে নাইজেরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এ ধরনের হামলার ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না।





