প্রতিবেদনে ড্যান হজেস উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির জটিলতা সম্পর্কে সচেতন। আর এ কারণেই তিনি পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আগেই সসম্মানে নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চাইছেন।
তবে স্টারমার ঠিক কবে নাগাদ পদত্যাগ করতে পারেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময়ের কথা জানানো হয়নি। তা সত্ত্বেও হজেসের সূত্রগুলো জোর দিয়ে বলছে যে প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়ার ব্যাপারে তার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছেন।
সম্প্রতি স্থানীয় নির্বাচনে স্টারমারের দল লেবার পার্টির ভরাডুবি এবং তার জনপ্রিয়তায় ব্যাপক ধসের পরই এমন খবর সামনে এলো। যুক্তরাজ্যে গত দুই বছরের কম সময়ের ব্যবধানে আবারও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই গুঞ্জন নিয়ে লন্ডনের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।





