ওয়াশিংটন পোস্টে কলাম লেখা খাসোগি সৌদি আরবের কড়া সমালোচক ছিলেন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, তাকে হত্যার নির্দেশ সরাসরি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দিয়েছিলেন। ইস্তাম্বুলের কনস্যুলেটে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল।
২০২২ সালের জুলাইয়ে মোহাম্মদ বিন সালমানের ফ্রান্স সফরের সময় তার বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগ জমা দেয় মানবাধিকার সংগঠন ডন এবং ট্রায়াল ইন্টারন্যাশনাল। পরে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ)।
ফরাসি জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী প্রসিকিউটর কার্যালয় জানিয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধ ইউনিটের একজন বিচারক এখন খাসোগিকে নির্যাতন ও গুম করার এই অভিযোগটি তদন্ত করবেন। আইনি জটিলতা কাটিয়ে গত সোমবার ফ্রান্সের একটি আপিল আদালত মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষে রায় দেয়, যার ফলে ফ্রান্সে এই মামলার তদন্তের পথ প্রশস্ত হলো।
আরএসএফের আইনজীবী ইমানুয়েল দাউদ বলেন, ‘জামাল খাসোগি একটি জঘন্য অপরাধের শিকার হয়েছিলেন। একজন ভিন্নমতাবলম্বী ও স্বাধীনচেতা সাংবাদিককে হত্যার এই পরিকল্পনা সৌদি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে করা হয়েছিল।’ ট্রায়াল ইন্টারন্যাশনালের আইনজীবী অঁরি থুলিয়েজ জানান, খাসোগির ওপর চালানো এই নৃশংসতার বিচারে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই।





