গতকাল (শুক্রবার, ১৫ মে) ট্রাম্প তার তিন দিনের চীন সফর শেষ করেছেন। দীর্ঘ নয় বছর পর কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সফরে ট্রাম্প ও শি জিনপিং বাণিজ্য, তাইওয়ান ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতসহ নানা ইস্যুতে আলোচনা করেন। ট্রাম্পের বিদায়ের পরপরই পুতিনের এই সফর ভূরাজনৈতিকভাবে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো বহুপাক্ষিক সম্মেলন ছাড়াই একই মাসে দুই বিশ্বশক্তির নেতাকে আতিথ্য দিচ্ছে চীন।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন, পুতিন শিগগিরই চীন সফর করবেন এবং এর প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। গতকাল (শুক্রবার, ১৫ মে) তিনি আরও বলেন, এই সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্ণাঙ্গ দিক ছাড়াও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং ২০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন জানান, দুই প্রেসিডেন্টের বৈঠকের বিষয়ে বেইজিং ও মস্কো যোগাযোগ রাখছে। সঠিক সময়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে। পুতিন ও শি জিনপিংয়ের সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল গত ৪ ফেব্রুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে।
পুতিনের এই সফরের মধ্য দিয়ে চীন একটি বিরল নজির স্থাপন করতে যাচ্ছে। গত কয়েক মাসের ব্যবধানে বেইজিং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাকি চারটি স্থায়ী সদস্য দেশের (যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স) শীর্ষ নেতাদের আতিথ্য দেয়া সম্পন্ন করবে। এর আগে ডিসেম্বরে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং জানুয়ারিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার চীন সফর করেছিলেন।





