ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, শুধু গত রাতেই রাশিয়া ৬৭০টির বেশি ড্রোন ও ৫৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর মধ্যে ৪১টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৫২টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনী। জেলেনস্কি বলেন, ‘যারা যুদ্ধ শেষ করতে চান, এটি নিশ্চিতভাবে তাদের কাজ নয়।’ তিনি মিত্র দেশগুলোকে ইউক্রেনের আকাশ রক্ষায় আরও সহায়তা দেয়ার আহ্বান জানান।
হামলায় কিয়েভে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শহরটির ২০টি স্থানে অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আহত হয়েছেন দুই শিশুসহ অন্তত ৪০ জন। কিয়েভের একটি নয়তলা আবাসিক ভবনের একাংশ ড্রোন হামলায় ধসে পড়েছে। সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে। ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহোর ক্লিমেনকো জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো ১০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন।
রাশিয়ান এই হামলায় ইউক্রেনজুড়ে ১৮০টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৫০টির বেশি আবাসিক ভবন রয়েছে। কিয়েভে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় জেনারেটর দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হচ্ছে। এছাড়া খারকিভ, ওডেসা ও খেরসনেও ব্যাপক হামলার খবর পাওয়া গেছে। খেরসনে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে নিয়োজিত জাতিসংঘের একটি গাড়িও ড্রোন হামলার মুখে পড়ে।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিকা বলেন, ‘শান্তি আলোচনার প্রচেষ্টার মধ্যেই এই হামলা প্রমাণ করে রাশিয়া যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের উচিত পুতিনকে যুদ্ধ থামাতে বাধ্য করা।’ এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি ইউক্রেনে দ্রুত বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।





