সম্প্রতি ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের সমালোচনা করায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরাগভাজন হয়েছেন পোপ লিও। রোমের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘অস্ত্রের প্রতিযোগিতাকে আমরা যেন “প্রতিরক্ষা” না বলি। এটি কেবল উত্তেজনা ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়ায়।’ তার মতে, সমরাস্ত্রের পেছনে অঢেল খরচ আসলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের বিনিয়োগকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং এর মাধ্যমে শুধু সেই অভিজাত শ্রেণিকে সম্পদশালী করা হয়, যাদের জনকল্যাণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইউরোপ মহাদেশে সামরিক ব্যয় ১৪ শতাংশ বেড়ে ৮৬৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ট্রাম্প বারবার ইউরোপীয় মিত্রদের আরও বেশি অস্ত্র কেনার জন্য চাপ দিলেও পোপ এর বিপরীত অবস্থান নিলেন।
পোপ লিও যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার নিয়েও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ইউক্রেন, গাজা, লেবানন ও ইরানে চলমান সংঘাতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নতুন প্রযুক্তি ও যুদ্ধের এই অমানবিক মেলবন্ধন বিশ্বকে এক ‘ধ্বংসের ঘূর্ণাবর্তের’ দিকে ঠেলে দিচ্ছে। পোপের এই কড়া বক্তব্য বৈশ্বিক অস্ত্র রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি বড় নৈতিক অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে।





