স্পেনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আক্রান্ত ব্রিটিশ চিকিৎসকের শারীরিক অবস্থা আগে আশঙ্কাজনক থাকলেও এখন স্থিতিশীল রয়েছে। এই তিনজনকে সরিয়ে নেয়ার পর প্রায় ১৫০ জন যাত্রীসহ জাহাজটিকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে নোঙর করার অনুমতি দিয়েছে দেশটি। তবে এ নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়েছে; ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের প্রেসিডেন্ট টেনেরিফে বন্দরে জাহাজটি ভেড়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এর আগে জাহাজের ক্রুদের সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া চলাকালে এটি কেপ ভার্দে উপকূলের কাছে নোঙর করা ছিল। ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, কেপ ভার্দে, যুক্তরাজ্য, স্পেন ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে সমন্বয় করে আক্রান্তদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জাহাজে থাকা এবং এরইমধ্যে নেমে যাওয়া যাত্রীদের স্বাস্থ্যের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। তবে বর্তমানে এই রোগের জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কম বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।
আরও পড়ুন:
এই প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত এক ডাচ দম্পতি ও এক জার্মান নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এবং এক ব্রিটিশ নাগরিক দক্ষিণ আফ্রিকায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার জানিয়েছেন, জাহাজটিতে থাকা ব্রিটিশ নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছে তার মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য, সাধারণত ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর মলমূত্র বা লালার সংস্পর্শে এলে হান্টাভাইরাস ছড়ায় এবং মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের ঘটনা বিরল। তবে দক্ষিণ আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়া ‘আন্দিজ’ স্ট্রেইনটির ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের নজির রয়েছে। এই প্রমোদতরিটিও গত মার্চে আর্জেন্টিনা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এরইমধ্যে ৬২ জন সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে পর্যবেক্ষণে রেখেছে, তবে এখন পর্যন্ত কারও হান্টাভাইরাস শনাক্ত হয়নি।





