গতকাল (মঙ্গলবার, ৫ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের রুবিও বলেন, ‘বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও কাতারকে সঙ্গে নিয়ে এই খসড়া প্রস্তাবটি তৈরি করেছে ওয়াশিংটন।’ প্রস্তাবে তেহরানকে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা ও হুমকি বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ইরান এই দাবি মানতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা এবং সম্ভাব্য সামরিক শক্তি প্রয়োগের পথ প্রশস্ত হতে পারে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খসড়াটিতে সরাসরি ‘শক্তি প্রয়োগ’ শব্দ দুটি ব্যবহার না করা হলেও এটি জাতিসংঘের সনদের সপ্তম অধ্যায়ের অধীনে আনা হয়েছে, যার মাধ্যমে সামরিক ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ থাকে।
রুবিও জানান, আগের অভিজ্ঞতার আলোকে প্রস্তাবের ভাষাগত কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে যাতে ভেটো এড়ানো যায়। তবে চীন বা রাশিয়া এবারও ভেটো দেবে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলো এই খসড়া নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছে।





