চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি হাসপাতালগুলোকেও সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করছে ইসরাইলি বাহিনী। এসব হামলার পেছনে ইসরাইলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অজুহাত দেয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, অনেক প্যারামেডিক হিজবুল্লাহ বা আমাল মুভমেন্টের সঙ্গে যুক্ত এবং অ্যাম্বুলেন্সে করে যোদ্ধা ও অস্ত্র পরিবহন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
তবে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বলছে ভিন্ন কথা। ইসরাইল পদ্ধতিগতভাবে ওই অঞ্চলের মানুষের টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জরুরি সেবা ও অবকাঠামো ধ্বংস করে দিচ্ছে।
এদিকে গত রাতে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় শহর টায়ারে বেশ কিছু ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সেখানে যুদ্ধবিরতির কোনো লক্ষণ নেই। বরং ইসরাইল নতুন করে ১১টি শহর ও গ্রামের মানুষকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেয়ার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।





