প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পরিবহন পথটি সচল করতে মার্কিন নৌবাহিনী মাইন সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক সপ্তাহের যুদ্ধের পর বর্তমানে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও সমুদ্রতলে বিছিয়ে রাখা বিস্ফোরক সরাতে কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তবে ডোমিনো ডেটা ল্যাবের সফটওয়্যার ব্যবহার করে পানির নিচের ড্রোনগুলোকে মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে নতুন ধরনের মাইন শনাক্ত করার প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হবে।
ডোমিনো’র প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা (সিওও) টমাস রবিনসন রয়টার্সকে বলেন, ‘মাইন খোঁজা একসময় জাহাজের কাজ ছিল, কিন্তু এখন এটি এআই-এর কাজে পরিণত হচ্ছে। বৈশ্বিক বাণিজ্য সচল করতে এবং নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌবাহিনী এখন এআই প্রযুক্তির দ্রুত ব্যবহারের ওপর বিনিয়োগ করছে।’
পেন্টাগনের এই নতুন কর্মসূচির নাম দেয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট অ্যামো’। এর লক্ষ্য হলো মানুষের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সমুদ্রের নিচে মাইন শনাক্তকরণ প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও নির্ভুল করা। এই সফটওয়্যারটি সোনার ও ভিজ্যুয়াল ইমেজিং সিস্টেম থেকে তথ্য নিয়ে মাইন শনাক্ত করবে। যেখানে আগে একটি নতুন মাইন চিনতে এআই মডেলের ছয় মাস সময় লাগত, সেখানে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তা মাত্র কয়েক দিনেই সম্ভব হবে।
রবিনসন উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘যদি বাল্টিক সাগরে রাশিয়ার মাইন শনাক্তের জন্য কোনো ড্রোনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া থাকে, তবে ডোমিনো’র প্রযুক্তির মাধ্যমে সেটিকে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে ইরানি মাইন শনাক্তের উপযোগী করে তোলা সম্ভব।’





