প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইল ইতিমধ্যে ওয়াশিংটনকে একটি বার্তা পাঠিয়েছে। যেখানে সরাসরি বলা হয়েছে, ‘আমরা ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করতে আগ্রহী।’ বর্তমানে ইসরাইলি বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ বা অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে।
মার্কিন রণপ্রস্তুতি
গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে। পেন্টাগন অঞ্চলে অতিরিক্ত এক স্কোয়াড্রন এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমান এবং বেশ কিছু জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান পাঠিয়েছে। এছাড়া পুরো অঞ্চলজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র।
টার্গেট মোজতবা খামেনি
ইসরাইলি গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে, এবার তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনির নামও রয়েছে। ট্রাম্পের অনুমোদন পেলে তাকে হত্যার মাধ্যমে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের আঘাত হানার পরিকল্পনা করছে ইসরাইল।
নাজুক যুদ্ধবিরতি
এদিকে লেবানন ফ্রন্টেও পরিস্থিতি থমথমে। গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকের পর ট্রাম্প ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, মাঠপর্যায়ের এই সংঘাত প্রমাণ করছে যে যুদ্ধবিরতি সমঝোতা কতটা ভঙ্গুর।





