ইরানের কার্গো জাহাজ আটক যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের

ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আটক
ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আটক | ছবি: সংগৃহীত
0

নৌ অবরোধ এড়ানোর চেষ্টা করায় ওমান সাগর থেকে ইরানের কার্গো জাহাজ আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর নিন্দা জানিয়ে প্রতিশোধ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। এমনকি সোমবার ইসলামাবাদে আলোচনায় বসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। তবে মার্কিন প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। চুক্তি না হলে ভয়াবহ হামলার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।

ইরানের নৌ-বন্দরের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ তুলে না নেয়ায় দ্বিতীয় দফার সমঝোতার বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা যখন প্রকট। ঠিক তখন আগুনে ঘি ঢাললো যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় রোববার ওমান সাগরে ইরানের পতাকাবাহী এমভি তুসকা নামের একটি জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী। এরপর জাহাজটিকে আটক করা হয়েছে।

অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করায় হরমুজ প্রণালির কাছ থেকে ইরানের জাহাজটি আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ঘটনাকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন ও জলদস্যুতা হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে ইরান। শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চরম প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার করেছে তেহরান। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ তুলে না নেয়ায় টোল দিয়েও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের সুযোগ বন্ধ করে রেখেছে আইআরজিসি।

আরও পড়ুন:

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার সন্ধ্যায় দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা সোমবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানে উপস্থিত থকবেন বলে জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফের ইসলামাবাদে বৈঠকের আগে যুক্তরাষ্ট্র একটি ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। চুক্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে, ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং সেতু ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।

অবরোধ না তুললে না নেয়ায় আলোচনার জন্য পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ভয়ভীতি দেখিয়ে ইরানকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আর সমঝোতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র এক পা না বাড়ালে ইরানও আর পা বাড়াবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধান আলোচক ও স্পিকার বাঘের গালিবাফ। এ অবস্থায় বাড়ছে উত্তেজনার পারদ। প্রকট হচ্ছে যুদ্ধের শঙ্কা।

ইএ