জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, লেবাননে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর প্রায় এক লাখ থেকে দেড় লাখ বেসামরিক মানুষ এখনো এই নদীর দক্ষিণে রয়েছে। ফলে তারা কার্যত দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘটনাস্থলে এখন ইউনিফিল বাহিনী রয়েছে।
গত ছয় সপ্তাহ ধরেও জাতিসংঘ হামলার ঝুঁকির মধ্যে ছিল। বিভিন্ন ঘটনায় তাদের কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন এবং লেবাননের ভূখণ্ডের ভেতরে ইসরাইলি বাহিনী তাদের হয়রানি করেছে।
আরও পড়ুন:
ইসরাইল এ ধরনের সেতুতেও হামলা চালিয়ে যাচ্ছে—যেগুলোর ওপর নির্ভর করে জাতিসংঘের সৈন্য, বেসামরিক মানুষ, লেবাননের সেনাবাহিনী এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর কার্যক্রম। ফলে দক্ষিণ লেবাননের ওই এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো এখন আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
এদিকে ইসরাইল বলছে, হিজবুল্লাহ যাতে দেশের ভেতরে যোদ্ধা ও অস্ত্র সরিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য তারা লেবাননজুড়ে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করছে। তবে এসব ক্ষতির মূল্য শেষ পর্যন্ত দিচ্ছে বেসামরিক মানুষ।





