ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে, বিশ্বের সেরা যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করতে বা বের হতে চাওয়া যেকোনো ও সব জাহাজ অবরোধ করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘অবরোধটি শিগগিরই শুরু হবে। এ অবরোধে অন্য দেশগুলোও যুক্ত হবে। ইরানকে এই অবৈধ চাঁদাবাজি থেকে লাভবান হতে দেয়া হবে না।’
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের ঘোষণায় ইসলামাবাদে হওয়া শান্তি আলোচনার পর যুদ্ধ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হওয়ার যে আশা ছিল, তা ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরান প্রণালিতে চলাচল সীমিত করার পর থেকে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত তা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। প্রণালিটি বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ পথে চলাচল করে।
আরও পড়ুন:
ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান প্রণালিটির পুলিশি নিয়ন্ত্রণ চালিয়ে গিয়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে, আর বাকি বিশ্ব তার অবরোধে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে—এটি থামাতেই এই অবরোধ।’
তিনি আরও লেখেন, ‘কোনো এক সময় আমরা এমন অবস্থায় পৌঁছাবো, যেখানে সবাই ঢুকতে পারবে, সবাই বের হতে পারবে—তবে ইরান সেটা হতে দিচ্ছে না, শুধু বলছে, কোথাও একটা মাইন থাকতে পারে, যা তাদের ছাড়া আর কেউ জানে না।’
ট্রাম্প আরও লেখেন, ‘এটি বিশ্বজুড়ে চাঁদাবাজি, এবং দেশগুলোর নেতারা, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, কখনোই চাঁদাবাজির শিকার হবেন না।’





