ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্পের এই সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান নাজুক যুদ্ধবিরতিতে আরও চাপ তৈরি করেছে। যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার দুই দিনেরও কম সময়ের মধ্যে এ মন্তব্য এলো।
গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে যেতে রাজি হবে, যদি দেশটি হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ, তাৎক্ষণিক ও নিরাপদভাবে খুলে দেয়ার শর্ত মেনে নেয়।’
তবে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল এখনো খুবই সীমিত, যেমনটি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে চলে আসছিল।
এদিকে দ্য ফিন্যান্সশিয়াল টাইমস বুধবার জানিয়েছে, ইরান শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ফি আদায়ের পরিকল্পনা করছে, যা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে পরিশোধ করতে হবে, এবং এর মাধ্যমে তাদের জাহাজগুলো ওই জলপথে চলতে পারবে।
ট্রাম্প গতকাল (বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল) পোস্টে লেখেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া ট্যাংকারের কাছ থেকে ইরান ফি নিচ্ছে—এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘তাদের তা করা উচিত নয়, আর যদি করেই, তাহলে এখনই বন্ধ করা উচিত!’ পরে আরেকটি পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমার কারণে, ইরানের কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং খুব দ্রুতই আপনারা তেল প্রবাহ শুরু হতে দেখবেন, ইরানের সহায়তা থাকুক বা না থাকুক, আমার কাছে এতে কোনো পার্থক্য নেই।’
ট্রাম্পের ওই পোস্টে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ডের বিরুদ্ধেও তীব্র সমালোচনা করা হয়। এর আগে পত্রিকাটি লিখেছিল, প্রেসিডেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে বিজয় ঘোষণা করতে তাড়াহুড়া করেছেন। ট্রাম্প লেখেন, ‘আসলে, এটি বিজয়, আর এখানে তাড়াহুড়া করার কিছু নেই!’

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



