ইরাকের একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জানান, কিটলসন বর্তমানে ইরাক সরকারের হেফাজতে রয়েছেন। তার দেশে ফেরার প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও ভ্রমণ ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে। কিটলসনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরাকি সরকার ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েছে বলেও ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন।
মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক অভিজ্ঞ সাংবাদিক শেলি কিটলসন গত মাসে ইরাকের ইরান-পন্থী মিলিশিয়া গোষ্ঠী কাতায়েব হিজবুল্লাহর হাতে বন্দী হন। মঙ্গলবার দলটির নিরাপত্তা প্রধান আবু মুজাহিদ আল-আসসাফ টেলিগ্রামে এক বার্তায় জানান যে, "অবিলম্বে দেশত্যাগ করার শর্তে" তারা কিটলসনকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আরও পড়ুন:
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার, বিভিন্ন সংস্থার মার্কিন কর্মী এবং ইরাকি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলসহ আমাদের ইরাকি অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের সহযোগিতায় এ মুক্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।’
বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, কিটলসন যখন ইরাকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন, তখনই মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে তাকে সতর্ক করা হয়েছিল। কাতায়েব হিজবুল্লাহ তাকে অপহরণ বা হত্যার পরিকল্পনা করছে—এমন সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ সতর্কতা দেয়া হয়।
ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বারবার তাদের নাগরিকদের ইরাক ত্যাগের নির্দেশ দিয়ে আসছে। দূতাবাসের সর্বশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল, ‘কোনো কারণেই ইরাক ভ্রমণ করবেন না। বর্তমানে সেখানে অবস্থান করলে অবিলম্বে দেশত্যাগ করুন।’





