বিবিসির উত্তর আমেরিকা সংবাদদাতা অ্যান্থনি জার্কার তার বিশ্লেষণে লিখেছেন, এই অবস্থায় ট্রাম্প জটিল পরিস্থিতিতে পড়েছেন। জার্কার বলেন, ‘যদি কোনো চুক্তি না হয়, ট্রাম্প সময়সীমা বাড়িয়ে দিতে পারেন। কিন্তু এত কঠোর ভাষায় হুমকি দিয়ে এখন পিছু হাটলে ট্রাম্পের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে, বিশেষ করে যুদ্ধ চলমান অবস্থায় রয়েছে।’
ট্রাম্পের অন্য বিকল্প হলো তার হুমকি বাস্তবায়ন করা। তবে গতকাল (সোমবার, ৬ এপ্রিল) তিনি একাধিকবার বলেছেন, ‘তিনি এমন পথে যেতে চান না।’ তিনি আরও দাবি করেছেন, ইরানি জনগণ চলমান মার্কিন অভিযান টেকে নিতে প্রস্তুত এবং কেউ কেউ নিজেদের শহরে বোমা হামলাকেও স্বাগত জানাচ্ছেন বলে তিনি মনে করেন।
আরও পড়ুন:
একই সঙ্গে ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র যা ধ্বংস করবে পরে তা পুনর্নির্মাণও করতে হবে এবং সেই পুনর্গঠনে শেষে যুক্তরাষ্ট্রকেই অংশ নিতে হতে পারে।
গত রোববার ইরানকে উদ্দেশ্য করে হুমকি দিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, আজ (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) হবে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস’, ‘সেতু দিবস’। সময়সীমা হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আজ (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় রাত ৮টা যা বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী বুধবার সকাল ৬টা।
তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলতে কোনো চুক্তিতে উপনীত হতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ইরানকে ‘এক রাতেই’ নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দিয়েছেন এবং সেই রাতটি হতে পারে আজ মঙ্গলবার রাত।





