সংস্থাটি নিহত দুজনকে মোহাম্মদ আমিন বিগলরি ও শাহিন ভাহেদিপারাস্ত হিসেবে শনাক্ত করেছে। ফার্স তাদের ‘শত্রুর এজেন্ট’ বলেও উল্লেখ করেছে।
জানুয়ারির ওই অস্থিরতা শুরু হয়েছিল অর্থনৈতিক সংকট থেকে। পরে তা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এক আন্দোলনে রূপ নেয়, যেখানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতনের দাবি ওঠে। কর্তৃপক্ষের দমন-পীড়নে ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর সবচেয়ে সহিংস সংঘর্ষগুলোর একটি ঘটে, যাতে হাজারো মানুষ নিহত হন।
গত সপ্তাহে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, গত ২ এপ্রিল ঘেজেল হিসার কারাগারে কিশোর আমির হোসেন হাতামিকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বিগলরি ও ভাহেদিপারাস্তকে ফাঁসির ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের তালিকায় রাখা হয়। আরও দুই ব্যক্তি, আলি ফাহিম ও আবুলফজল সেলেহি সিয়াভাশানি, মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে আছেন বলেও উল্লেখ করা হয়। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকার উৎখাতের লক্ষ্যেই বিদেশি এজেন্টরা ওই বিক্ষোভে অনুপ্রবেশ করেছিল।





