আইআরজিসি–ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত তাসনিমের ফারসি ভাষার প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর ওপর হামলার প্রমাণ বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ নেই। মূলত সম্প্রতি তার ভিডিওচিত্রের অনুপস্থিতি থাকা, বাসভবনের নিরাপত্তা জোরদার নিয়ে হিব্রু ভাষার গণমাধ্যমের খবর, জ্যারেড কুশনার ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সম্ভাব্য সফর স্থগিত হওয়ার তথ্য এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে ফোনালাপের ফরাসি বিবৃতিতে তারিখ উল্লেখ না থাকার বিষয়গুলো একত্র করে প্রতিবেদনটি সাজানো হয়েছে।
এতে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের একটি দাবির উল্লেখ রয়েছে, যা রুশ গণমাধ্যমের বরাতে প্রকাশিত। সেখানে বলা হয়, ইরান নেতানিয়াহুর লুকিয়ে থাকার স্থানে হামলা চালিয়েছে এবং তার ভাই নিহত হয়েছেন। তবে তাসনিম নিউজ এজেন্সি নিজেই জানিয়েছে, এসব তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করা হয়নি।
আরও পড়ুন:
প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, গত (রোববার, ৭ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নেতানিয়াহুর একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। ৬ মার্চ বেয়ারশেবায় একটি ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শনের তথ্যও ইসরাইল সরকারের ওয়েবসাইটে রয়েছে। গত (বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ) প্রেসিডেন্ট মাখোঁর সঙ্গে তার ফোনালাপের বিষয়টি এলিসি প্রাসাদ এবং দ্য জেরুজালেম পোস্ট সেটা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে যুদ্ধের শুরুতে ইরানের সামরিক বাহিনী এক হামলার পর নেতানিয়াহুর পরিণতি ‘অস্পষ্ট’ বলে দাবি করেছিল, যা তার দপ্তর ‘ফেক নিউজ’ বলে প্রত্যাখ্যান করে। গত (সোমবার, ২ মার্চ) শিনহুয়া জানায়, জেরুজালেমে নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের কোনো চিহ্ন দেখেননি স্থানীয় বাসিন্দারা, যদিও ইরান একই ধরনের দাবি করেছিল। গতকাল (সোমবার, ৯ মার্চ) সন্ধ্যা পর্যন্ত তাসনিমের সাম্প্রতিক দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রকাশ্য নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।





