তখন দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল যে হামলায় কোনো ক্ষতি হয়নি। প্রথম দফায় এক সঙ্গে তিন বা চারটি বিস্ফোরণ ঘটে, যেগুলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—প্যাট্রিয়ট ও থাড এর মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের সময় ধোঁয়ার স্তূপ দেখা যায়।
আল জাজিরার প্রতিবেদনের বলা হয়, পরবর্তী দফার হামলায় বিস্ফোরণের সংখ্যা বেড়ে ছয়–সাতটি হয় এবং শেষ তিরিশ মিনিটে সাত–আটটি বিস্ফোরণ শোনা গেছে। প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে এসবের সাউন্ড অনেকটা সাসটেন্ড আন্টি এয়ারক্রাফট ফায়ারের মতো ছিলো, যা সাধারণত মানববিহীন ড্রোনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ইরানের কাছে ইতোমধ্যে বহু মানববিহীন ড্রোন থাকলেও এখন ঠিক কী তা ব্যবহৃত হচ্ছে সেটা নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এই অভিযান কেবল ১ দিনের জন্য সীমিত নয়, এটি কমপক্ষে আরও এক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে চলবে।





