দরজায় কড়া নাড়ছে মাহে রমজান। পরম করুণাময় আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সিয়াম সাধনার এ মাসে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকেন বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
রোজার আগে শেষ জুমার নামাজে বাড়তি ভিড় দেখা গেছে পাকিস্তানের বাজারে। শাকসবজি-ফলমূল থেকে শুরু করে মাংসের দোকান- সবখানেই ক্রেতা সমাগম। এসময় পণ্যের দাম বেশি হওয়ায় ক্ষোভ ঝাড়েন অনেক ক্রেতা।
ক্রেতাদের একজন বলেন, ‘গত বছর রমজানের আগে আমরা যে পরিমাণ ইফতার সামগ্রী কিনতাম, এবার পণ্যের দাম বাড়তি থাকায় চাহিদা থাকলেও কিনতে পারছি না।’
অন্য আরেকজন বলেন, ‘রমজানের আসার কয়েকদিন আগেই বাজারে পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। আগে এক ডজন কলা একশো রুপিতে পাওয়া গেলেও এখন তা মিলছে ২০০ রুপিতে। শাকসবজির বাজারেও একই অবস্থা।’
তবে ভিন্ন কথা বলছেন অনেক ক্রেতা। পণ্যের দাম বাড়লেও তা আগের বছরের তুলনায় কম বলে মনে করছেন ক্রেতারা।
ক্রেতাদের একজন বলেন, ‘আমি আজই বাজারে এসেছি। পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে আছে। যদিও কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। তবে তা অন্যান্য বছরের রমজান বা ঈদের মৌসুমের চেয়ে অনেক কম।’
আরও পড়ুন:
২০২৩ সাল থেকেই উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিপর্যস্ত পাকিস্তানের অর্থনীতি। রুপির মান কমে যাওয়া, জ্বালানির দাম বাড়াসহ নানা কারণে দেশটিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পায়। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে মুদ্রাস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। এরইমধ্যে রমজান উপলক্ষে ৩৮ বিলিয়ন রুপির প্যাকেজ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান সরকার।
শুধু পাকিস্তান নয়, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইয়েমেনের মুসল্লিরাও রমজান ঘিরে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছে। নতুন করে মসজিদগুলো ধোয়ামোছার কাজ করছেন বাসিন্দারা।
ইয়েমেনের একজন বাসিন্দা বলেন, ‘আমরা রমজানকে স্বাগত জানাই মসজিদকে নতুনভাবে সাজিয়ে। এমনভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাজাই যাতে রমজানের শুরুতে মন সৃষ্টিকর্তার বন্দনা ও রোজার জন্য প্রস্তুত থাকে।’
এছাড়া, সানার বাজারগুলোতেও বাড়তি ক্রেতা উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।





