নর্থ ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথাও নিশ্চিত করেন। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী ইউএসএস জেরেল্ড আর. ফোর্ড।
ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা যুক্তরাষ্ট্রের দাবির একটি অংশ মাত্র। একই সঙ্গে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ এবং হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।’
আর পড়ুন:
বিশ্লেষকরা মতে, এ অবস্থানের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এদিকে ইরান দাবি করেছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ।
তবে গত বছরের সংঘাতের আগে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছিল দেশটি। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সতর্ক করে বলেছেন, ইরানে ক্ষমতার পরিবর্তন অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। তবে ট্রাম্প জানিয়েছে, সঠিকভাবে চুক্তি হলে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ এড়ানো সম্ভব।





